BLOG করতে হলে অাপনাকে যে জিনিসগুলো ভালোভাবে জানতে হবে

BLOG করতে হলে অাপনাকে যে জিনিসগুলো ভালোভাবে জানতে হবে

0

অনলাইনে কোটি কোটি ওয়েব সাইট আছে যেগুলো প্রোডাক্ট বিক্রি বা এফিলিয়েট মার্কেটিং বা অ্যাড থেকে বিভিন্ন ভাবে আয় করে চলেছে এবং এগুলো প্রতিটিই ভিজিটরের জন্য প্রতিযোগিতা করে চলেছে । আবার কেউ কেউ একই ভিজিটরের জন্য পরস্পর প্রতিযোগিতায় লিপ্ত ।
ক) ভিসিটরদের ব্লগের প্রতি আকর্ষণ বাড়ানো ।
খ) তাদেরকে উৎসাহিত করা প্রোডাক্ট কিনতে, যদি আপনি ব্লগিং এর সাথে এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে চান ।
ঘ) ভিসিটর যাতে ব্লগে আবার ফিরে আসে সেই ব্যাবস্থা করা ।
একটা ব্লগ থাকা খুবই ভালো কথা কিন্তু এটা অর্থহীন যদি কেউ সেই ব্লগ সম্পর্কে না জানে বা সেই ব্লগের কোন পাঠক না থাকে । এখানে আমি ব্লগিং এর শুরুটা কিভাবে করা যেতে পারে সেটা নিয়ে একটু বলবো । আসলে এত এত জিনিস নিয়ে চিন্তা করতে হয় যেটা লিখে ফেললে ১০০ পেজের একটা বই হয়ে যাবে । যা হোক আমরা মেইন জিনিসগুলো নিয়ে একটু ঘাঁটি । ব্লগ করার সময় তিনটে জিনিস মনে রাখতে হয় –
১। ব্লগের উদ্দেশ্য কি
২। টার্গেট মার্কেটের চাহিদা
৩। প্রোডাক্ট
সুতারাং উদ্দেশ্য, টার্গেট মার্কেট এবং প্রোডাক্ট – এই তিনটে জিনিসকে আবর্ত করেই ব্লগিং এবং ইন্টারনেট মার্কেটিং । উপরের তিনটে জিনিসকে সঠিকভাবে নির্বাচন করতে পারলে ব্লগ থেকে আয়ের পরিমান বেড়ে যায় ।
উদ্দেশ্যঃ
ব্লগ বানানোর পূর্বে অবশ্যই ব্লগের উদ্দেশ্য সঠিকভাবে নির্ধারণ করতে হবে ।নিজের কাছে নিজে ব্লগের বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করুন “আমার ……ব্লগের উদ্দেশ্য কি?” নিজে ব্লগের Objective নির্ধারণ করে তারপ

র অন্যদের প্রশ্ন করুন । ফেসবুকে ও প্রশ্ন করুন । মাথা ঘামিয়ে বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের দৃষ্টিকোণ দিয়ে ব্লগকে পর্যবেক্ষণ করুন । কোন শ্রেণীর মানুষদের উপকার হবে এই ব্লগ থেকে, ব্লগের সুফল ও কুফল খুঁজুন । কি উদ্দেশ্য নিয়ে আপনার ব্লগটি যাত্রা শুরু করবে ? এটা কি শুধু মাত্র শখেরবশে নাকি মানুষের উপকারের জন্য নাকি শুধু টাকা আয় করার জন্য ? কক্ষনো টাকা আয় করার উদ্দেশ্য নিয়ে ব্লগি করবেন না, আপনার চিন্তা থাকবে শুধু মানুষের উপকার করা, তাহলেই আপনার টাকা উপার্জন হবে । যা হোক কয়েকটি সাধারণ উদ্দেশ্য হল –

১। প্রোডাক্ট বা সার্ভিস বিক্রি
২। প্রোডাক্ট বিজ্ঞাপন করা
৩। অ্যাড থেকে আয়
উপরে আমরা শুধু প্রাথমিক উদ্দেশ্য নির্ধারণ করেছি এবং এবার দ্বিতীয় দফায় কিছু জিনিস বিবেচনা করবো এবং একটা ব্লগ থেকে ভালো মানের আয় করার জন্য এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ।
১। ব্লগ এস, ই, ও এর উপযোগী করে ডিজাইন এবং ডেভেলপ করতে হবে
২। ব্লগে ভাইরাল মার্কেটিং এলিমেন্ট থাকবে, যেমন ধরুন, অনেক বড় এবং খুবই উপকারী কয়েকটি পোস্ট ।
৩। ব্লগের বিষয়বস্তু গুলোকে ভিসিটরের চোখের সামনে রাখতে হবে যেন পাঠককে কোন বিষয় খুঁজতে কষ্ট করতে না হয় কারন অনলাইন পাঠক খুবই অলস ।

এত প্রতিযোগিতার ভিতর কাঙ্খিত ফলাফল কি করে পাওয়া যাবে ? এই প্রশ্নের জবাবে অনেক প্রতিষ্ঠান এবং ব্যাক্তি বলেছিল যে তাদের ওয়েব সাইট আছে । যদিও ওয়েবসাইট থাকা আর মার্কেটিং করে ওয়েবসাইট থেকে আয় করা সম্পূর্ণ ভিন্ন জিনিস । একটি ওয়েবসাইট হল কতকগুলো ডকুমেন্ট, ছবি এবং ইলেক্ট্রনিক্স ফাইলের সমাহার যা সাধারণের ব্যাবহারের জন্য । আর ইন্টারনেট মার্কেটিং করে ওয়েবসাইট এর পাঠক সংখ্যা বাড়াতে হয় । আর আমরা জানি যত বেশি ভিসিটর তত বেশি আয় । ব্লগ থেকে আয় করার পূর্বে মানে যখন আপনি ব্লজ্ঞিং শুরু করতে যাচ্ছেন তিনটি জিনিস মাথায় রেখে ব্লগিং শুরু করতে হয় ………
টার্গেট মার্কেট বা পাঠক নির্বাচনঃ
ব্লগটা পাঠকের উপর নির্ভর করে সাজাতে হবে কারণ বিভিন্ন পাঠকের রুচি বিভিন্ন । পাঠকের রুচি, বয়স, পুরুষ বা মহিলা বা উভয়ই যে কোন একটা ধরনের পাঠক নির্বাচন করতে হবে, এতে করে ব্লগ মার্কেটিং করতে সুবিধা হবে এবং আয় ও বাড়বে । যেমন ধরুন – আপনি “স্কিন ভালো রাখার মেডিসিন” নিয়ে আপনার ব্লগ লিখবেন তাহলে আপনার টার্গেট পাঠক থাকবে মহিলারা, তবে এক্ষেত্রে ৩৫+ মহিলারা থাকবে আপনার টার্গেট ভিসিটর কেননা ৩৫ বছর এর পর স্কিনে একটু সমস্যা দেখা দেয় । তবে ব্লগিং করার সময় পাঠকের –
১। চাহিদা
২। প্রয়োজনীয়তা
৩। এক্সপেক্টটেশন
বুঝে ব্লগে লিখতে হবে । পাঠক যেন ব্লগ পড়ে মুগ্ধ হয়ে যায়, আর মানুষ ভালো কিছু অন্য মানুষকে জানাতে চায় আর এই ভাবে ভালো বিষয় সোশ্যাল সাইট এ ভাইরাল হয়ে যায় মানে সবার মুখে মুখে থাকে ।
প্রোডাক্ট বা সার্ভিসঃ
ব্লগের বিসয়বস্তুর উপর নির্ভর করে প্রোডাক্ট বা সার্ভিস প্রোমট করা যেতে পারে । যেমন –
১। বই
২। যদি ট্রাভেল ব্লগার হলে হোটেল, এয়ার লাইন
৩। টেকনোলজি ব্লগাররা গ্যাজেট
৪। সফটওয়্যার ব্লগাররা সফটওয়্যার
ইত্যাদি ।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY