The Prime Minister inaugurated second submarine cable station

The Prime Minister inaugurated second submarine cable station

0

Finally the inauguration was the long-awaited second submarine cable’s landing station.Since launching this landing station in Kuakata, Bangladesh will get more than 500 gigabytes of GB (GB) bandwidth.And people of Barisal, Patuakhali, Khulna and Faridpur in the southern part of the transmission charge will get low cost internet services.

Prime Minister Sheikh Hasina inaugurated the second submarine cable (C-Mi-Wi-5) on 10th September at 10am with video conferencing from Gonobhaban.In the opening ceremony, the Prime Minister said the two parties have free access to the submarine cable free of cost, but due to ignorance, the BNP has left the country behind.Now the country has become a digital Bangladesh.Currently, Internet usage in Bangladesh is more than 400 Gbps.Out of this 120 came from Gbps state-owned Bangladesh Submarine Cable Company Limited (BSCCL).The remaining 280 Gbps IT Band Bandwidth is imported from India.

It is to be noted that the second submarine cable landing station of Bangladesh is built at a cost of Tk 660 crore on 10 acres of land at Maitabhanga village in Kewakata, Patuakhali.After the completion of the project, internet usage experimental began in March 2017.Meanwhile, the second submarine cable was inaugurated after one year delay.Earlier this year, the cable was inaugurated on July 31 this year.

State Minister for Post and Telecommunications Tarana Halim promised to open the cable in the second week of March.According to sources, this delay of the state-owned BTCL transmission line could not be completed properly.In fact, C-Mi-We-5 is a short version of Southeast Asia-Middle East-Western Europe-5.It includes Malaysia, Indonesia, Thailand, Myanmar, Bangladesh, India, Sri Lanka, Pakistan, UAE, Oman, Djibouti, Yemen, Saudi Arabia, Egypt, Italy and France.

Please comment, if you want to know your opinion.Because the next post topics are selected depending on your comment.

Become an “IT writer” you can “Guest post” to this site


দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল স্টেশনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

অবশেষে উদ্বোধন হলো বহুল প্রতীক্ষিত দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের ল্যান্ডিং স্টেশনের। কুয়াকাটায় অবস্থিত এই ল্যান্ডিং স্টেশন চালু হওয়ায় বাংলাদেশ নতুন করে ১ হাজার ৫০০ গিগাবাইটের (জিবি) বেশি ব্যান্ডউইডথ পাবে। আর ট্রান্সমিশন চার্জ কম পড়ায় দক্ষিণাঞ্চলের বরিশাল, পটুয়াখালী, খুলনা ও ফরিদপুরের মানুষ কম খরচে ইন্টারনেট সেবা পাবেন।

১০ সেপ্টেম্বর রোববার সকাল ১০টায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের (সি-মি-উই-৫) উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুই বার বিনা পয়সায় সাবমেরিন ক্যাবলের সঙ্গে সংযোগের সুযোগ পেলেও অজ্ঞতার কারণে তা নাকচ করে দেশকে পিছিয়ে রেখেছে বিএনপি। এখন দেশ ডিজিটাল বাংলাদেশে পরিণত হয়েছে।বর্তমানে বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারের পরিমাণ ৪০০ জিবিপিএসের বেশি। এর মধ্যে ১২০ জিবিপিএস রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিসিএল) মাধ্যমে আসে। বাকি ২৮০ জিবিপিএস আইটিসির ব্যান্ডউইডথ ভারত থেকে আমদানি করা হয়।উল্লেখ্য, পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় মাইটভাঙ্গা গ্রামে ২০১৩ সালের শেষের দিকে ১০ একর জমির ওপর ৬৬০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয় বাংলাদেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশনটি। প্রকল্পটির কাজ শেষ করার পর ২০১৭ সালের মার্চ মাস থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার পরীক্ষামূলক শুরু হয়।

এদিকে এক বছর বিলম্বের পর দ্বিতীয় এই সাবমেরিন ক্যাবলের উদ্বোধন হলো। এর আগে চলতি বছরের ৩১ জুলাই একবার এই ক্যাবলের উদ্বোধনের তারিখ দেওয়া হয়েছিল। তার আগে মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে ক্যাবলটি উদ্বোধনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।সূত্র জানিয়েছে, রাষ্ট্রায়ত্ব কোম্পানি বিটিসিএল সঞ্চালন লাইনের কাজ ঠিকমতো শেষ করতে না পারায় এতদিনের এই বিলম্ব।

প্রসঙ্গত,সি-মি-উই-৫ হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া- মিডল ইস্ট-ওয়েস্টার্ন ইউরোপ-৫-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এতে রয়েছে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, ইউএই, ওমান, জিবুতি, ইয়েমেন, সৌদি আরব, মিসর, ইতালি ও ফ্রান্স।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY