What is Bitcoin and how it works ?

What is Bitcoin and how it works ?


Bitcoin is basically a type of currency that is operated by software and cryptography.Nobody knows who has discovered Bitcoin.However,the group of these Bitcoin inventors, they operate in the name of Satoshi Nakamoto.Bitcoin comes online in the online world in 2008.Bitcoin work according to peer to peer transaction system.Bitcoin’s economy is completely open.The general money is control by the government.Whenever the are needed they make new money.There is nothing like this bitcoin .However, a limit has been made during the making of Bitcoin.Mining will stop automatically after reaching 31 million Bitcoin.If the amount of bitcoin is increased too much, its prices will also decrease.That’s why its arrangement.

Bitcoin money can be withdrawn at very low cost.Since Bitcoin uses advanced cryptography, Bitcoin is also called cryptococoncopy.There are currently 25 million or 2.5 billion Bitcoin i the world, and 5 million Bitcoins have been lifted and the remaining 20 million are waiting for the transaction.Bitcoin Mining is being connected to 25 bitcoin networks every  ten minutes. Bitcoin prices are increasing almost everyday.In 2016, the price of 1 bitcoin was only $ 1000, but August of 2017 it stood at  $ 4326 dollar.Many experts think that the price could touch $5000 this year.Bitcoin has turned into a very popular nowadays. University of Cambridge has come out with a research that about 2.9 to 5.7 million users are using regular bitcoin every month.

We use Bitcoin and Units such as unit and money.Bitcoin unit is Bitcoin, which is called BTC in a nutshell.The smallest form of Bitcoin is Satoshi.Bitcoin transactions are bit complicated.Suppose you have 50 dollar. You gave me that.So, from now on i am the owner of this 50 dollars.Do not keep this money for you anymore.And since there is no proof of this money, You can not claim ownership later on.When the money is transacted in bitcoin,the data that you give me will keep a data digitally stored on the computer.The problem is here.If delete this data in some way from the computer, I will not have any proof that the money is mime.One such incident happened in the case of a person.For some reason his computer hard disk was formatted, he lost Bitcoin worth 75 million dollars.There in one more problem.Because it is digitally saved so many copies of it can be made.In this  way, it is impossible to make 10 bitcoin copy  from a bitcoin. To overcome this problem, each bitcoin has been given different cryptography and some mathematical numbers.Tracing these numbers can be understood by anyone who has Bitcoin.And those who do this tracing are called Bitcoin Miner.Bitcoin is given to them as a reward for their labor.

We reserve money in a particular place.It could be a home or a bank. Such Bitcoin can be stored in one place.And the place where it is stored is called Bitcoin address.You have to know the bitcoin address you give Bitcoin.Then you can exchange bitcoin.Again, if you want to purchase a product with Bitcoin, then the seller will send you a specific amount of money in the Bitcoin address.With Bitcoin, You can do as much as possible.It heard, Amazon and Alibaba will soon add their products to the website as well as Bitcoin on their website.But there are some disadvantages of Bitcoin in spite of such advantages.I said a while ago because the process is completely digital, so if your Bitcoin address of Bitcoin is saved, if it crashes or forgets the password for the wallet, then never lose the lost Bitcoin.Beside, every day, the price of Bitcoin is being made.Bitcoin can buy tomorrow’s price. In that case you will face major losses.But it is a matter of hope that the price of Bitcoin is high. Many of s are now earning online through Bitcoin.There are many website like bitcoin earning. But most are scam. There are very few real website that truly pay by bitcoin.And you can can easily get rid of these money by penny or Bkash.Trusted Bitcoin Earning site those who pay by Bitcoin.Click here for Details.

Top Bitcoin Wallet :

Please comment, if you want to know your opinion.Because the next post topics are selected depending on your comment.

Become an “IT writer” you can “Guest post” to this site

বিটকয়েন কি ? বিটকয়েনের ব্যবহার ও অানিং পদ্ধতি ও ওয়ালেট সমূহ নিয়ে বিস্তারিত

বিটকয়েন হচ্ছে মূলত এক ধরণের মুদ্রা যেটি সফটওয়্যার এবং ক্রিপ্টোগ্রাফি দ্বারা চালিত। বিটকয়েন কে আবিষ্কার করেছে সেটা কেউ জানে না। তবে যিনি বা যেই গ্রুপ এই বিটকয়েন এর আবিষ্কারক তারা সাতোশি নাকামোতো নামে অপারেট করে। অনলাইন দুনিয়ায় বিটকয়েন আসে ২০০৮ সালে। বিটকয়েন পিয়ার টু পিয়ার ট্রানজেকশন সিস্টেম অনুযায়ী কাজ করে। বিটকয়েন এর অর্থব্যবস্থা সম্পূর্ণ উন্মুক্ত। সাধারণ টাকা সরকার নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। যখন প্রয়োজন হয় তখনই তারা নতুন টাকা বানায়। বিটকয়েন এ এমন ধরাবাধা কিছু নেই। তবে বিটকয়েন তৈরীর সময়ই একটা সীমা তৈরী করে দেওয়া হয়েছে। ৩১ মিলিয়ন বিটকয়েন এ পৌছালেই মাইনিং স্বয়ংক্রিয় ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। বিটকয়েন এর পরিমাণ অত্যধিক ভাবে বেড়ে গেলে এর দামও কমে যাবে। সেজন্যই এর ব্যবস্থা। খুব কম খরচেই বিটকয়েন এর মাধ্যমে অর্জিত টাকা তোলা যায়। বিটকয়েন যেহেতু অ্যাডভান্সড ক্রিপ্টোগ্রাফি ব্যবহার করে তাই বিটকয়েন কে ক্রিপ্টোকারেন্সিও বলা হয়ে থাকে। পৃথিবীতে বর্তমানে ২৫ মিলিয়ন বা আড়াই কোটির মত বিটকয়েন রয়েছে এবং এর মধ্যে ৫ কোটি বিটকয়েন উত্তোলন করা হয়েছে এবং বাকি ২০ কোটি ট্র্যাঞ্জেকশন এর অপেক্ষায় রয়েছে। প্রতি দশ মিনিটে ২৫ টি বিটকয়েন নেটওয়ার্কে যুক্ত হচ্ছে বিটকয়েন মাইনিং এর মাধ্যমে। প্রায় প্রতিদিনই বিটকয়েনের মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০১৬ সালে ১ টি বিটকয়েনের মূল্য ছিল মাত্র ১০০০ ডলার কিন্তু ২০১৭ এর আগষ্ট  মাসের মধ্যে তা ৪৩২৬ ডলারে এসে দাঁড়িয়েছে। অনেক বিশেষজ্ঞই মনে করছেন, এর দাম এ বছরেই ৫০০০ ডলার ছুঁতে পারে। বিটকয়েন বর্তমানে খুবই জনপ্রিয় একটি মাধ্যমে পরিণত হয়েছে। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি রিসার্চে বেরিয়ে এসেছে যে প্রতিমাসেই প্রায় ২.৯ থেকে ৫.৭ মিলিয়ন ব্যবহারকারী নিয়মিত বিটকয়েন ব্যবহার করছেন।

আমরা যেমন ইউনিট হিসেবে টাকা এবং পয়সা ব্যবহার করে তেমনি বিটকয়েনের ও ইউনিট রয়েছে। বিটকয়েনের ইউনিট হচ্ছে বিটকয়েন যাকে সংক্ষেপে বিটিসিও বলা হয়। বিটকয়েনের সবচেয়ে ক্ষুদ্র রূপ হচ্ছে সাতোশি। ০.০০০০০০০১ সাতোশিতে এক বিটকয়েন হয়।

বিটকয়েনের আদানপ্রদান ব্যাপারটি কিছুটা জটিল। ধরুন, আপনার কাছে ৫০ টাকা আছে। আপনি আমাকে সেটি দিয়ে দিলেন। তাহলে, এখন থেকে এই ৫০ টাকার মালিক আমি। এই টাকাটি আপনার কাছে আর থাকলোনা। আর এই টাকাটির কোন প্রমাণ না থাকায় আপনি পরবর্তীতে এর মালিকানাও দাবি করতে পারবেন না।

বিটকয়েনে যখন টাকার লেনদেন করা হয় তখন আপনি যে টাকাটি আমাকে দেবেন এর একটি ডাটা ডিজিটালভাবে কম্পিউটারে সংরক্ষিত থাকে। সমস্যাটা এখানেই। কম্পিউটার থেকে যদি কোনভাবে এই ডাটা মুছে যায় সেক্ষেত্রে আমার কাছে আর কোন প্রমাণ থাকবেনা যে টাকাটি আমার। এরকম একটি ঘটনা ঘটেছিল এক ব্যাক্তির ক্ষেত্রে। কোন কারণে তার কম্পিউটারের হার্ড ডিস্ক ফরম্যাট হয়ে যাওয়ার কারণে সে প্রায় ৭৫ মিলিয়ন ডলার মূল্যের বিটকয়েন হারিয়েছিল।

আরও একটি সমস্যা আছে। যেহেতু ডিজিটালভাবে সংরক্ষিত তাই এর অনেক কপিও বানানো সম্ভব। এভাবে একটি বিটকয়েন থেকে দশটি বিটকয়েন করে ফেলাও অসম্ভব কিছু না। এই সমস্যাটি দূর করার জন্য, প্রতিটি বিটকয়েন এই আলাদা আলাদা ক্রিপ্টোগ্রাফি এবং কিছু গাণিতিক সংখ্যা জুড়ে দেওয়া হয়। এই নম্বরগুলোকেই ট্র্যাক করে বোঝা যায় বিটকয়েন কার কাছে আছে। আর যারা এই ট্র্যাকিং এর কাজ করে তাদেরকে বলা হয় বিটকয়েন মাইনার। এজন্য তাদেরকে তাদের শ্রমের পুরষ্কার হিসেবে বিটকয়েন দেয়া হয়।

আমরা টাকা জমা রাখি নির্দিষ্ট কোন একটা জায়গায়। সেটা বাসা বাড়ি বা ব্যাংক ও হতে পারে। সেরকম বিটকয়েন টাও একটি জায়গায় জমা থাকে। আর যেখানে জমা থাকে তাকে বিটকয়েন অ্যাড্রেস বলা হয়। আপনি যাকে বিটকয়েন দেবেন তার বিটকয়েন অ্যাড্রেস টি আপনার জানা থাকতে হবে। তাহলেই আপনি বিটকয়েন আদান প্রদান করতে পারবেন। আবার আপনি যদি বিটকয়েন দিয়ে কোন পণ্য ক্রয় করতে চান তাহলে বিক্রেতার বিটকয়েন অ্যাড্রেস এ নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ পাঠিয়ে দিলেই তারা আপনাকে পণ্য পাঠিয়ে দেবে।

বিটকয়েনের মাধ্যমে আপনি ইচ্ছামত লেনদেন করতে পারবেন। শোনা যাচ্ছে, অ্যামাজন এবং আলিবাবা খুব শীঘ্রই তাদের ওয়েবসাইটে ডলারের পাশাপাশি বিটকয়েন দিয়ে পণ্য কেনার ফিচার যুক্ত করবে।

তবে এত সুবিধার মাঝেও বিটকয়েনের কিছু অসুবিধাও রয়েছে। কিছুক্ষণ আগেই বলেছি যেহেতু প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণরূপে ডিজিটাল সুতরাং আপনার বিটকয়েন অ্যাড্রেস বা যেখানে বিটকয়েন সংরক্ষিত রয়েছে সেটা যদি ক্র্যাশ করে বা ওয়ালেটের পাসওয়ার্ড ভুলে যান সেক্ষেত্রে আর কখনই হারানো বিটকয়েন ফিরে পাবেন না। তাছাড়া প্রতিদিনই বিটকয়েনের মূল্য উঠানামা করছে। আজকে বিটকয়েন কিনলে কালকেই দাম পড়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে আপনি বড়রকমের ক্ষতির সম্মুখীন হবেন।

তবে আশার ব্যাপার হচ্ছে বিটকয়েনের মূল্য উর্ধমূখী। আমাদের দেশের অনেকেই এখন বিটকয়েনের মাধ্যমে অনলাইনে উপার্জন করছেন। বিটকয়েন আয় করার মত অনেক ওয়েবসাইট আছে তবে অধিকাংশই স্ক্যাম। খুব অল্প আসল ওয়েবসাইট আছে যারা সত্যিকার অর্থেই টাকা প্রদান করে। এবং সেই টাকাগুলো পেইজা বা বিকাশ এর মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই উইথড্র করতে পারবেন।ট্রাস্টেড বিটকয়েন আনিং সাইট, যারা বিটকয়েনের মাধ্যমে পে করে।জানতে এখানে ক্লিক করুন

টপ বিটকয়েন ওয়ালেট :

Reference: http://en.wikipedia.org/wiki/Bitcoin