অনলাইনে কাজের সিক্রেট কিছু প্রশ্ন উত্তর এবং শিক্ষামূলক একটি সত্য ঘটনা

অনলাইনে কাজের সিক্রেট কিছু প্রশ্ন উত্তর এবং শিক্ষামূলক একটি সত্য ঘটনা

0

অনলাইনে কাজের সিক্রেট কিছু প্রশ্ন উত্তর এবং শিক্ষামূলক একটি সত্য ঘটনা

যারা অনলাইনে ইনকাম করতে চান কিন্তু তাদের মনে দানা বাধছে এমন কিছু প্রশ্ন যা দ্বারা তৈরি হচ্ছে এই সেক্টর নিয়ে দারুন শংকা। তাদের মনে এমন কিছু সাধারণ প্রশ্নের উত্তর অামি দিব। এবং যতটুকু পারি অামার বাস্তাবাদি ঘটনা প্রবাহের সাথে  মিলে যায় তার প্রাসঙ্গিক উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব।

freelancing-tips-tricks

১। অনলাইনে কাজ করতে কি কি প্রয়োজন ?

উত্তর : অাপাতোতো অাপনার একটি ল্যাপটপ / ডেস্কটপ। এবং ইন্টারনেট সংযোগ সেটা যদি না থাকে তাহলে একটি স্মার্ট ফোন হলেই অাপনি ইন্টারনেট সংযোগ চালু করতে পারবেন স্মার্ট ফোনের Hotspot এর একটিভ করার  মাধ্যমে । অার অবশ্যই নিজের ধ্যর্য ও পরিশ্রম সেটা থাকতেই হবে। না থাকলে সেটা যেভাবে করা যায় তার দিকে দৃষ্টি দিতে হবে কেননা ধ্যর্য ও পরিশ্রম ব্যতীত এই সেক্টরে কেউ কিছুই করতে সক্ষম অাজ অবদি হয় নাই।

২। অনলাইনে কাজ গুলো কিভাবে শিখব ?

উত্তর : অনলাইনে কাজ শেখার জন্য বর্তমান অাধুনিক যুগে অনেক মাধ্যম অাছে যদি অাপনার ইচ্ছা থাকে তাহলেই মাধ্যম গুলো অাপনার কাছাকাছিই পাবেন। এই কাজগুলো শেখার জন্য উল্লেখযোগ্য মাধ্যম হলো : ইউটিউব, কমিউনিটি সাইট, টেকনোলজি ও ফ্রীল্যান্সার রিলেটেড ব্লগ ও এ ধরনের গ্রুপ পাবেন অাপনি ফেজবুকে । অাপনার অাশে পাশে যদি সাকসেস কেউ থাকে তাহলে তার কাজ থেকে বেসিক শিখতে পারবেন । কিন্তু তিনি যদি নতুন হয় তাহলে অাপনার এই ট্রাম টা ইউজ করার দরকার নাই বলে মনে করি। কিন্তু অাপনি যেখান থেকেই শিখুন না কেন কেউ অাপনাকে প্রফোশনাল করে গড়ে তুলতে পারবে না। অাপনাকে বেসিক ধারণা দিব মাত্র। তাই বেসিক শিক্ষার প্রচুর অ্যানালাইসিস ও প্যাকটিস করতে হবে।

৩। অনলাইনে কাজ শিখতে কেমন সময় লাগবে?

উত্তর : অনলাইনে কাজ শিখতে কেমন সময় লাগে তা ডিপেন্ট করে একজন শিক্ষার্থীর উপর কেননা শির্ক্ষাথী যদি রেগুলার না শিখে তাহলে সাধারণ সময়ের বেশি লাগবে । অার যদি নিয়মিত শিখে এবং কাজ গুলো বুঝতে পারে তাহলে যে কোন ক্যাটাগরির বেসিক কাজ শিক্ষার জন্য সাধারণত ৬ মাস সময় লাগে । অার প্যাকটিস ও অন্যালাইসিস করতে হবে সারা জীবন অাপনি প্রফোশনাল হলেও অাপনাকে এই সেক্টরে ঝালিয়ে নিতে হবে যাকে অামরা স্মার্ট ভাষায় বলি নিজেকে অাপডেট রাখা ।

freelancing-hide-formula

৪।অনলাইনে কাজ শেখার প্রথম ধাপ কি ?

উত্তর : প্রশ্নটা অতি গুরুত্বপূণ্য কেননা অাপনি যদি নতুন অবস্থায় অনলাইন সেক্টরে কাজ শিখতে বা কাজ বাছাই করতে ভুল করেন তাহলে এই সেক্টরে অাপনি ছিটকে পড়বেন । এমনকি অাপনি হারাতে পারেন অাপনার স্বপ্নের ভবিষত ক্যারিয়ার । অনেক প্রতিষ্টান ও ব্যক্তি পযার্য়ের অাইটি এক্সপার্টরা তাদের কার্যসিদ্ধি হাসিল করার জন্য ইচ্ছাকৃত বা অনিইচ্ছাকৃত ভূল ধারনা প্রদান করে।যা ডেকে অানে একটি মানুষে স্বপ্নের মৃত্যু।অামি অামার মত করে অামার বাস্তবাদি ধারণা বিস্তৃত করছি যুক্তিদ্বারা বুঝার পর বাকিটা অাপনার কাছে ছেড়ে দিলাম দেখুন অাসলে কি হতে কি ?

বাংলাদেশের অনেকে অাইটি প্রতিষ্টান অাছে তারা অনলাইনে কাজ শেখার জন্য তাদের এবিলিটির উপর খেয়াল রেখে ওয়েব ডিজাইন, ডেভোলাপ, এস.ই.ও, ডাটা এনট্রি বা অারো হরেক রকম  কাজ শেখার অফার করে। কিন্তু যে কোন কাজ শেখার অাগে অাপনাকে তার বেসিক / ক্রমানয় অনুযায়ী শিখতে হবে । তা যদি অাপনি শিখতে না পারেন তাহলে অাপনার ক্যারিয়ার ডেভোলাপ হবে না। এটা যে যতকথাই বলুক। অাপনি পৃথীবিতে অাসছেন একটু নিয়মের মাঝে একটি একটি ধাপ পেরিয়ে অাপনি  একসময় মৃত্যুবরণ করবেন এটাই হলো প্রাকৃতিক নিয়ম। কিন্তু যদি অাপনি প্রাকৃতিক নিয়ম না মানেন বা অসীকৃতি জ্ঞাপন করেন তা কখনো পাল্টাবে না উপরুক্ত অাপনার ধ্বংস হবে । কারণ প্রাকৃতিক নিয়ম অনিবার্য । অামি মনে হয় একটু কঠিন করে ফেলছি অারো সহজ একটি উদাহরণ দিচ্ছি ।ধরুন একটি শিশু বাচ্চার শিক্ষা জীবন কিভাবে শুরু হয় । প্রথমে পরিবার হতে পারিবারিক শিক্ষা তারপর তাকে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার জন্য ভর্তি করা হয় একটি স্কুলে তারপর বড় হতে থাকে একটি শিশু সে পরিণত হয় কিশোর তারপর যুবক তারপর বৃদ্ধ এভাবেই তার বয়সের সাথে স্কুল হতে কলেজ, কলেজ হতে বিশ্ববিদ্যালয় তারপর উচ্চ শিক্ষার জন্য কেউ কেউ বাহিরে যায় কিন্তু কর্মক্ষেত্র সুযোগের মাধ্যমে তারপর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সমাপ্ত ঘটে । কিন্তু প্রবাহিত শিক্ষা তাকে করতে হয় । কিন্তু এই শিশুর শিক্ষা জীবনে প্রথমেই যদি ভুল পদক্ষেপ হয় তাহলে কি ঘঠবে ? শিশুটি ঝরো পড়বে। কেননা ভূল শিক্ষা কখনো ভালো একটি ক্যারিয়ার গড়তে পারে না।  অামি ঠিক এই পয়েন্ট টা টার্গেট করতে চাইছি যারা বুঝতে পারছেন তাদের জন্য ধন্যবাদ যারা বুঝতে পারেন নাই তারা বুঝায় চেষ্টা করুন ।ঠিক তেমনি অনলাইনে শিক্ষার জন্য অাপনি যখন বেসিক শিক্ষা অারম্ভ করলেন তখন অাপনি শিশু। অাপনাকে তখন শিশুর মত অনলাইনে বেসিক শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে এভাবে অাপনার শিক্ষা জীবন পাড় করতে হবে ওই শিশুটির শিক্ষাজীবনে চক্র অাকারে । কিন্তু অামাদের বেশির ভাগ অনলাইনে  ভূল পদক্ষেপ নেই । যে যার কথা মত তাই কাজ শিখে চলে অাসি ইনকাম করতে । কিন্তু একটু ভাবুন বাংলাদেশে বসে অাপনি ইনকাম করবেন ডলার অফ কারেন্সি অার ১ ডলার কে বাংলায় ৮০ করে গুণ দিয়ে সমান করে দেখতে চান কতটাকা ইনকাম করছেন এত সহজ তাহলে তো সবাই ইনকাম করতে ।তাহলে কেন পারেনা পারে না কারণ তার মধ্য ধারাবাহিকতা নাই । তার মধ্য শিক্ষা জীবনের চক্র নেই । তার মধ্য কাজ শেখার ধর্য্য শক্তি নেই। তাই তারা পারেনা । কিন্তু তারা বুঝে না অামি যদি একটু কষ্ট করে নিয়মিত ৬ মাস একটি কাজ ধারাবাহিক ভাবে শিখতে পারি তাহলে কাজ শেখার পর অামার অার কাজ শিখতে হবে। কারণ শিক্ষাজীবন একবার শেষ হয়ে গেলে পূনরায় শিক্ষা জীবন শুরু হয়না। কথাটা অনেকেই ভূল দিকে ধরতে পারে । তাই ক্লিয়ার করে বলতে চাই। ধরুন অাপনি এস.এস.সি পরীক্ষায় গোল্ডেন ৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হলেন তাহলে কি অাপনি অাবার এস.এস.ই পরীক্ষা দিবেন। এস.এস.ই পরীক্ষায় কৃতকার্য হলে যেমন অার অার অাপনে পরীক্ষা দেওয়ার দরকার হয় না ঠিক তেমনি কাজ একবার শিখে ফেলতে পারলে তা অার শিখতে হয় না। কিন্তু চর্চা করতে হয়।

৫. অনলাইনে কাজ করতে অামাকে কি কি ধরনের কাজ শিখতে হবে?

উত্তর : অনলাইনে কাজ গুলো কে মোট ৪টি ভাগে করা হয় । তা ক্রমান্বয়ে দেওয়া হল : ১। ডাটা এন্ট্রি  ২। এস.ই.ও   ৩। গ্রাফিক্স ডিজাইন  ৪। ওয়েব ডিজাইন ও ডেভোলাপমেন্ট । এগুলোই হল অনলাইনের সাধারণ কাজের ক্যাটাগরি । তাছাড়াও অন্যান্য কাজ ও অাছে তবে । অাপনাকে এই কাজগুলো বেসিক ধারণা ক্রমান্বয়ে শিখতে হবে। কিন্তু অামাদের দেশে এর ব্যতীক্রম অনেকে বিজ্ঞ লোক তারা সাজেষ্ট করে যে কোন  একটি ক্যাটাগরি কাজ সর্ম্পকে ধারণা বা ভাল ধারণা রাখলেই কাজ করা যায়  বা পাওয়া যায় অনলাইনে । কিন্তু অামি তা ভূল মনে করি কেননা তার একটি উদাহরণ বিস্তৃত অাকারে দিয়েছি বলেছিলাম কোন কাজ শেখার অাগে তার কোর্স বা পরিপূর্ণ্যতা না পেলে তার কুফল সম্পর্কে। অাপনাকে ডাক্তার হতে হলে প্রথমে অাপনার সব রোগের যেমন বেসিক ধারণা থাকতে হবে যদি রোগের বেসিক ধারণা না থাকে তাহলে অাপনি রোগীর লক্ষণ ও উপক্রম এবং রোগের ওষধে কি উপক্রম বুঝবেন না। অার যদি রোগের বেসিক ধারণা পাওয়ার পর অাপনি একটি প্রফেশনাল ক্যাটাগরির ডাক্তার হবেন । অনেকে সময় দেখবেন অাপনি অাসছেন দাতের ডাক্তারের চেম্বারে  দাতের ব্যাথ্যা নিয়ে ডাক্তার বলবে অাপনাকে অাপনার তো ডায়বেটিকস কন্ট্রলে নেই । এখন অাপনার প্রশ্ন হতে পারে অাসলাম দাতের ব্যাথা উপশম করতে ডাক্তার অামাকে বলে অামার ডাইবেটিকস কন্ট্রোলে নেই। ডাক্তার কিভাবে বুঝলো অাপনার ডাইবেটিকস কারণ হলো তাদের প্রতিটি রোগের বেসিক ধারণা দেওয়া হয় । ঠিক তেমনি অাপনার উচিত অনলাইনে ইনকাম করতে চাইলে প্রথমে শেখা দরকার ডাটা এন্ট্রি । ডাটা এন্ট্রিকে বলা হয় সকল অনলাইন কাজের মাদার । পৃথীবিতে এমন কোন অনলাইন কাজ নাই যা ডাটা এন্ট্রি ব্যতীত করা যায় । তারপর এস.এই.ও, গ্রাফিক্স ডিজাইন ও ওয়েব ডিজাইন ও ডেভোলাপমেন্ট । অার যদি না করেন মার্কেট প্লেস এ ঢুকেই হাড়ে হাড়ে বুঝতে পারবেন  কথাটা কতটা সত্য। অনলাইন যদি কাজ কেউ অাপনাকে প্রভাইট করে তাহলে সে খুজে কাকে দ্বারা তার কাজ  করালে সবোর্চ্চ বেনেফিট পাওয়া যায়।

freelancing-storry

এখন অাপনাদের মাঝে অনলাইনে কাজ করার তিক্ত একটি অভিজ্ঞতা বা সিক্রেট গল্প তুলে ধরব :

অামার একটা গল্প শুনলে অাশা করি বুঝতে পারবেন । অামি যখন অনলাইনে কাজ শুরু করিছিলাম তখন আমি ডাটা এন্ট্রি নিয়ে কাজ শুরু করি । ছোট কাজ গুলো প্রথমে করতাম দেখতাম কাজ গুলো যেমন ছোট তেমনি রেট কম । এবং সময় লাগতো খুব বেশি কিন্তু যতটুকু পারতাম করার চেষ্টা করতাম কিন্তু একসময় দেখলাম কাজ করতে বিড করতে করতে কাজগুলো অাগের তুলনায় খুব কম কাজ পাচ্ছি তখন থেকে মন ভাঙ্গতে লাগল । কি ব্যাপার এত কাজে বিড করি কাজ কিন্তু কাজ পাইনা কেন। একসময় টানা তিন মাস একটা কাজ ও পাই নাই। চিন্তায় পড়ে গেলাম প্রতি রাতে বিড করি । অামার প্রফাইল এ যথেষ্ট ক্রিয়েটিভ ছিল এবং অামি প্রচুর স্কিল টেষ্ট এ ভাল পরীক্ষা দিয়েছি । এবং প্রতি কাজেই সাথেই  ডাটা এন্ট্রির ভালো ভালো কাজ ও পূর্ব কাজের অট্যাচমেন্ট ও দিযেছি কিন্তু কোন ভাবেই কোন কিছু হচ্ছে না। অামার প্রফাইলে কায়েন্টের অাগের ভাল রেটিং ও ছিল কিন্তু কাজ অার পাচ্ছি না তো পাচ্ছি না। পরে চিন্তা করলাম অার কাজে বিড করব না।১ মাস টানা এনালাইসিস করলাম অামার প্রফাইল সহ অারো অনেক কিছু তারপরো কোন সমস্যা দেখলাম না ছোট খাট নজরে যা ছিল সবই পরিবর্তন করলাম । একদিন ফেজবুকে এক ইন্ডিয়ান ফ্রীল্যান্সিং  কমিউনিটি গ্রুপ হতে পরিচিত হলাম ‌‌‌‌‌সেবা নামের একজন মহিলার সাথে চ্যাটে কথার বলার এক পযার্য়ে সম্ভোবত তিনি অামার প্রোফাইল দেখতে পেলেন অামি ডাটা এন্ট্রি ফ্রীল্যান্সার তিনি অামাকে বললেন কেমন চলছে অাপনার  ফ্রীল্যান্সিং, কাজ করে কেমন ইনকাম হচ্ছে ? অামি অামার ফ্রীল্যান্সিং  এর অবস্থা তাকে জানালাম কিন্তু খুব একটা গুরুত্ব দেই নাই। ভেবেছি মহিলা মানুষ ফ্রীল্যান্সিং নিয়ে কি অার বুঝবে কিন্তু তখনই অামাকে তিনি বলেন নাই তিনি একজন ফ্রীল্যান্সার এবং ডাটা এন্ট্রি ক্যাটাগরিতে কাজ করে অার বুঝার কোন উপায় ই ছিল কারণ তার প্রোফাইল টা ছিল একদম একটা সিম্পল তাকে দেখও বুঝার উপায় নেই তিনি এমন শিক্ষিত। ১ সপ্তাহ পড়ে জানতে পারলাম তিনি একজন অভিজ্ঞ ফ্রীল্যান্সার মাসে ফ্রীল্যান্সিং করেই ভালো ডলার ইনকাম করে অারো তার সর্ম্পকিত অনেক কিছু জানলাম। অার বড় করবনা কাজের কথায় অাসি তিনিই অামার সমস্যা সমাধান করে দিয়েছিলেন । অার তার কাছ থেকে পুণরায় ইন্সপায়ার হয়ে অাবার কাজে বিড করি ৮ মাস পর । এই ৮ মাসে অামি ডাটা এন্ট্রি, এস.এই.ও অার গ্রাফিক্স ডিজাইনের বেসিক কাজ শিখেছি কিন্তু ওয়েব ডিজাইনের কাজ টা অামি ফাকে ফাকে শিখতে ছিলাম। এবং ৮মাসে মাথায় কাজে ব্যাক করে কাজে বিড করে অামার মনে অাছে  ৯ দিন পর একটা প্রজেক্ট কাজ পাই। এবং কাজটা ছিল এরকম ই-কর্মাস সাইটে ছবি রিটার্চ করে ছবি মধ্য ও ডিটেলস এ ডাটা লিস্ট করা। অামি এই কাজ টা খুব সম্বোভব ২ সপ্তাহ ধরে করে ৪২ ডলার পেয়েছিলাম।

freelancing-works

এখন জানিয়ে দেই  ৮মাস অাগে কি সমস্যা হয়েছিল অামার যে কারণে অামি প্রচুর কাজে বিড করেও কাজগুলো পাইনি। তার কারণ হলো অামি মাত্র একটা কাজের (ডাটা এন্ট্রি) বেসিক ধারণা নিয়ে কাজে বিড করতাম অার বায়ারদের একই কাজের এটাচম্যান্ট দিতাম এতে করে কাজ পেতাম না। হ্যা প্রথম দিকে কিছু কাজ পেয়েছি কিন্তু সেটা ছিল খুবই কম রেটের এবং বেশি সময়ের কাজ। একটা কথা অাছে না দিন পাল্টায় রং বদলায় জীবনের, এবং সাথে সাথে পাল্টায় চাহিদা (এটা কিন্তু সেবা মেডামের কপি করা উক্তি) ঠিক তেমনি বায়ারা প্রথম দিকে কাজ এক সময় এক ক্যাটাগরিতেই দিত যখন ফ্রীল্যান্সার কম ছিল কাজ বিড করলেই কাজ পাওয়া যেত । ফ্রীল্যান্সার সংখ্যা বাড়লো বায়ার তাদের সুবিধা বুঝতে পারল অার তারা একের মধ্য সব নেওয়ার সুবিধা পেল। অামি সেবা ম্যাডামের ফ্রীল্যান্সিং প্রফাইল দেখে ছিলাম সে অামার মতই ডাটা এন্ট্রির প্রোফাইল তৈরী করেছিল কিন্তু তা্র টিক্স ছিল খুবই অাপডেট এবং গুরুত্বপূণ্য তিনি অামাকে শিখেয়ে ছিলেন বায়ারে কাজ গুলো দেখে বিড করার সময় শুধু ডাটা এন্ট্রির কাজের এটাচম্যান্ট দিলেই হবে না। বায়ারকে সন্তুষ্টু করার মতো এমন কাজের এটাচম্যান্ট দিতে যেন বায়ার বুঝতে পারে অামাকে ডাটা এন্ট্রির কাজ দিলে অামি এস.এই.ও , গ্রাফিক্স ডিজাইন ও প্রয়োজন হলে ওয়েবএর বেসিক কাজ করতে পারব । অার বায়ার কে এটা অফার করা যে তার যে কোন ছোট ছোট যে কোন সহজ কাজ অাপনি পারেন। তাহলেই বায়াররা সন্তুষ্টু হয় এবং কাজ দেই।

অার তার প্রমাণ অামি পেয়েছি অামি তার কথা ও গাইড অনুযায়ী কাজ করে অামার সমস্যা যেমন সমাধান করতে পেরেছি ঠিক তেমনি কাজ পেতে অামার অনেকটা সুবিধা হয়েছে ।

কোন বায়ার চাই না একটা সহজ কাজের জন্য তার বেশি ডলার নষ্ট হয়। সে এমন একটা ফ্রীল্যান্সার পেতে চাই যাকে দ্বারা তার এক কাজের সব ধরনের সন্তুষ্টি পাওয়া যাবে। যেমন ধরুন অামি যে কাজটা পেয়েছি সেটা ধরতে গেলে দুই ক্যাটাগরির কাজ প্রথম হলো ফটো রিটার্চ অার ডাটা এন্ট্রি করা । এই কাজটা যারা শুধু ডাটা এন্ট্রি করে সে করতে পারবে না অাবার যারা শুধু গ্রাফিস্ক করে তারাও করতে পারবেনা। কেননা এটি একটি সহজ ডুয়েট কাজ । যে ডাটা এন্ট্রি ও গ্রাফিক্স সর্ম্পকে বেসিক ধারণা রাখে সেই এক মাত্র কাজটা করতে পারে। কিন্তু কাজটা করা কিন্তু খুবই সহজ । কিন্তু যারা পারেনা তাদের কাছে খুবই কঠিন মনে হবে । অার এই বায়ার তাকেই দিবে যে বায়ার কে এটাচম্যান্ট দেখিয়ে সন্তুষ্টু করতে পারবে যে সে এই কাজে দক্ষ। অাশা করি বুঝাতে সক্ষম হয়েছি ।কিন্তু দু:খজনক হলেও অনেকে এই সিরেক্ট কথা বলতে চাই না। বললেও একটু সমস্যা কেন একটা টিক্স যদি সবাই কাজে লাগায় তাহলে তা খুবই তাড়াতাড়ি অকার্যকর হয়ে যায় । অার শেষ কথা এই যে অনলাইনে কাজ করে ইনকাম করতে চাইলে অাপনাকে সব কাজের বেসিক ধারণা রাখতে হবে। এটাই সত্য অাপনি মানুন অার না মানুন। অারোও অনেক কথা বলার ছিল বলতে পারলাম না কেননা সময় স্বল্পতার অভাবে । অনেক সর্ট করে বললাম ঘটে যাওয়া অামার জীবনের একটি ফ্রীল্যান্সার ট্রাজেডি ও সেবা ম্যাডাম প্যারেডি । অামার ফেইজবুক অাইডি  ফেজবুক কতৃপক্ষ ডিজেএবল করায় অামি অার সেবা ম্যাডাম প্যারেডি শেষ হয়ে যায়। অামি কখনো তার সাথে কন্টান্ট করা যায় এমন ডাইরেক্ট মাধ্যম  কিছু চাই নাই । সেও ইচ্ছা কৃত ভাবে দেই নাই তাই । মনে হয় এখনো  তার সাথে যোগাযোগ থাকলে ভালো হত। কেননা তিনি অামার বড় উপকার করেছে অার শিখেয়িছিল অনেককিছু। ধন্যবাদ সবাইকে ।

পোষ্টটি সংগৃহীত করা হয়েছে অামার পরিচিত এক ভাইয়ের কাছ থেকে।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY